সম্মুখসমরে ডরাইব ক্যানে, দ্যাশটাই ত কুরুক্ষ্যাতরো?
সম্মুখসমরে ডরাইব ক্যানে, দ্যাশটাই ত কুরুক্ষ্যাতরো?
আরও আছেন মাথার উপরে রবীন্দ্রনাথের সেই অমোঘ বক্তব্য,যা আবৃত্তি করতে বাঙালি পৃথীবী সময় অসময় জ্ঞান করে না ,তবু শাসকের রক্ত চক্ষুকে ভয়?
চিত্ত যেথা ভয়শূণ্য, উচ্চ যেথা শির, জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর আপন প্রাঙ্গণতলে দিবসশর্বরী বসুধারে রাখে নাই খন্ড ক্ষুদ্র করি, যেথা বাক্য হৃদয়ের উৎসমুখ হতে উচ্ছ্বাসিয়া উঠে,যেথা নির্বারিত স্রোতে…
পশ্চিম বঙ্গ ও বাংলাদেশেই শুধু নয়,সারা মহাদেশে ধর্মোন্মাদী প্রতারক রাজনীতিবিদদের আধিপাত্য।
মানুষ মারার কল সর্বত্র সমান্তরালে সমানতালে চলছে ত চলছে।
আসল নৈরাজ্যের অংশীদার এই ধর্ষণের সংস্কৃতিতে হেফাজত জামায়েত রাজনীতির মহাজোট।
পলাশ বিশ্বাস
কাজে এল না প্রশাসনিক পদক্ষেপ। নিজেদের দাবিতে অনড় থেকে সম্মুখসমরেই হাঁটলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী ছাত্র-ছাত্রীরা।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী নিগ্রহের ঘটনায় আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর প্রতিবাদ জানাবে ১০০টি শহরে৷ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাম্তে থাকা প্রাক্তনীরা ছাত্রী নিগ্রহ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে পড়ুয়াদের ওপর পুলিসি অত্যাচারের ঘটনায় সহমর্মিতা জানিয়ে প্রতিবাদে সামিল হবেন৷ প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে যাদবপুরের ঘটনায় শুধু কলকাতা নয়, দেশের বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদে সরব হয়েছে পড়ুয়া থেকে সমাজের সব স্তরের মানুষ৷
সম্মুখসমরে ডরাইব ক্যানে,দ্যাশটাই ত কুরুক্ষ্যাতরো?
প্রতিষ্ঠানের সমন্তরাল ক্ষমতার রাজনীতি ও শাসকের চোখরাঙাণিতে চলা বিবেকহীন প্রতিষ্ঠানের এই দুঃসময়ের নাম আজকের যাদপুরের প্রতিরোধ।
যাদবপুরকে সমর্থন না জানানোটাই হয়ত সব চেয়ে বড় অপরাধ।
পাশে আছি যাদবপুর।
আজকালের প্রতিবেদন: যাদবপুর-কাণ্ডের প্রতিবাদে মেডেল ফিরিয়ে দিয়ে গেলেন সেখানকার এক কৃতী পড়ুয়া৷ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে অহনা পন্ডা তাঁর পদক ফিরিয়ে দিলেন৷ তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্রী ছিলেন৷ ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছিলেন৷ এই কৃতিত্বের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে দিয়েছিলেন সোনার মেডেল৷ এদিন তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে যান৷ কিন্তু উপাচার্য ছিলেন না৷ পরে তিনি সহ-উপাচার্য সিদ্ধার্থ দত্ত, রেজিস্ট্রার প্রদীপ ঘোষের সঙ্গে দেখা করেন৷ যাদবপুরে ছাত্রদের ওপর পুলিসের লাঠিচার্জের প্রতিবাদে ফিরিয়ে দেন সেই মেডেল৷
নজরুলের কথায়ঃ
আমি চিরদূর্দম, দুর্বিনীত, নৃশংস,
মহা- প্রলয়ের আমি নটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস!
আমি মহাভয়, আমি অভিশাপ পৃথ্বীর,
আমি দুর্বার,
আমি ভেঙে করি সব চুরমার!
>আমি অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল,
আমি দ'লে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃঙ্খল!
আমি মানি না কো কোন আইন,
আমি ভরা-তরী করি ভরা-ডুবি, আমি টর্পেডো, আমি ভীম ভাসমান মাইন!
আমি ধূর্জটি, আমি এলোকেশে ঝড় অকাল-বৈশাখীর
আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী-সুত বিশ্ব-বিধাতৃর!
বল বীর -
চির-উন্নত মম শির!
আরও আছেন মাথার উপরে রবীন্দ্রনাথের সেই অমোঘ বক্তব্য,যা আবৃত্তি করতে বাঙালি পৃথীবী সময় অসময় জ্ঞান করে না ,তবু শাসকের রক্ত চক্ষুকে ভয়?
চিত্ত যেথা ভয়শূণ্য, উচ্চ যেথা শির, জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর আপন প্রাঙ্গণতলে দিবসশর্বরী বসুধারে রাখে নাই খন্ড ক্ষুদ্র করি, যেথা বাক্য হৃদয়ের উৎসমুখ হতে উচ্ছ্বাসিয়া উঠে,যেথা নির্বারিত স্রোতে...
বাংলা কবিতার পাতা খুললেই হয়,বাঙালি স্বভাব কবি
হরেক রকমের বাঙালি
অন্যমিল দিলেই,ভক্তকুল পেলেই কবি
তাঁদের জন্যই নিবেদনঃ
নিত্য তব চিত্তে জাগিছে হৃদয়, বিশ্ব ধরনীতে অপূর্ন যাহা তাই । কৃশ আধারে শঙ্খের আওয়াজ জাগিলো যেথা হায় তব বিনিদ্র সে রজনী তাহার তরে পুরে হল ছাই । হৃদয়ের সাথে আজি এ মন করিছে যেথাখেলা হায় কত বিচিত্র সে হৃদয়, খুঁজে দেখো তাহা মাঝে আছে কি আমার ঠায় । তব এ প্রান আজ সখা উথলিয়া উঠে ঐ মন দুয়ারে, হৃদয় দুয়ার খুলে লও …
আরও আছেন মাথার উপরে রবীন্দ্রনাথের সেই অমোঘ বক্তব্য,যা আবডত্তি করতে বাঙালি পৃথীবী সময় অসময় জ্ঞান করে না ,তবু শাসকের রক্ত চক্ষুকে ভয়
চিত্ত যেথা ভয়শূণ্য, উচ্চ যেথা শির, জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর আপন প্রাঙ্গণতলে দিবসশর্বরী বসুধারে রাখে নাই খন্ড ক্ষুদ্র করি, যেথা বাক্য হৃদয়ের উৎসমুখ হতে উচ্ছ্বাসিয়া উঠে,যেথা নির্বারিত স্রোতে
লণ্ডনের ইণ্ডিয়া সোসাইটি থেকে একই নামে কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস এর লেখা ভূমিকা নিয়েরবীন্দ্রনাথের নিজের ইংরেজীতে অনুবাদ করা বইটি প্রকাশিত হয় ১০৩টি গান .... ক্লান্ত চিত্তে নাহি তুলি ক্ষীণ কলরব তোমার পূজার অতি দরিদ্র উত্সব | রাত্রি এনে দাও তুমি ... উচ্ছ্বসিয়া উঠে, যেথা নির্বারিত স্রোতে দেশে দেশে দিশে দিশে কর্মধারা ধায়
আমার চিত্তে তোমার সৃষ্টিখানি রচিয়া তুলিছে বিচিত্র এক বাণী। তারি সাথে প্রভু মিলিয়া তোমার প্রীতি জাগায়ে তুলিছে আমার সকল গীতি, আপনারে তুমি ... যেথা আসনের মূল্য না হয় দিতে, যেথা রেখা দিয়ে ভাগ করা নেই কিছু যেথা ভেদ নাই মানে আর অপমানে, স্থান দাও সেথা সকলের মাঝখানে। যেথা বাহিরের আবরণ নাহি রয়, যেথা আপনার উলঙ্গ পরিচয়।
খবরে ক্রমশঃ প্রকাশ্য,অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছাত্ররা গর্জে উঠলে কী হতে পারে, বৃষ্টিভেজা মিছিল থেকেই তা অনেকটা পরিষ্কার। যাদবপুরের উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত প্রতিবাদের এই গর্জন যে থামবে না, তাও সাফ বুঝিয়ে দিলেন যাদবপুরের পড়ুয়ারা।
শাসকের রক্তচক্ষু ক্ষমতার রাজনীতির স্রবশক্তির বিরুদ্ধে অতএব আন্দোলনকে বৃহত্তর আকার দিতে সোমবার তাঁরা ঘোষণা করলেন আরও একগুচ্ছ কর্মসূচি।
শাসক সাবধান,এই কর্মসুচির মধ্যেই রয়েছে- চানা ক্লাস বয়কট, গণ কনভেনশন, লালবাজার অভিযান এবং বিশ্ব প্রতিবাদ দিবস।
ইতিমধ্যে যাদবপুরকাণ্ডে প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছে দেশজুড়ে।
সেই ঢেউকে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগী হয়েছেন পড়ুয়ারা।
বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রাক্তনীদের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার ডাক দেওয়া হয়েছে গ্লোবাল প্রটেস্ট ডে-র। সেদিন বিশ্বের ১০০টি শহরে একসঙ্গে আয়োজন করা হবে প্রতিবাদ কর্মসূচির।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবশ্য সোমবার থেকে অবিলম্বে ক্লাস শুরুর জন্য নোটিস জারি করেছে। জট কাটাতে আলোচনায় বসার আহ্বানও জানিয়েছেন তাঁরা। যদিও রেজিস্ট্রার প্রদীপকুমার ঘোষের সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছেন ছাত্ররা।
আন্দোলনের দাবি ন্যায়ের দাবি।
অন্যায়ের সঙ্গে বোঝাপড়া নয়।
আন্দোলনের গন্ধে এখনও মদ গাঁজা ভাঙ্গের অবদান খুঁজছে যে অন্ধ ভক্তকুল,তাদের বোঝার খথা নয় যে আমাদেরই ঘরের ছেলেমেয়ে,পড়ুয়াদের দাবি একটাই, যে উপাচার্য পুলিশ ডেকে তাঁদের লাঠিপেটা করেছেন, তাঁর অপসারণ।
যতদিন তা না হচ্ছে, ততদিন প্রতিবাদ চলবে।
ধামাচাপা দিয়ে এই বিদ্রোহের আগুন নেভানো অসম্ভব,সর্বশক্তিমান বর্ণ আধিপাত্যের ক্ষমতা রাজনীতির বিবেক জগবে না কোনো দিন।
কোনো দিনই না।
অথছ বলা হচ্ছে ,যাদবপুরকাণ্ড, সুরঞ্জন দাসকে চেয়ারম্যান করে ৬ জনের তদন্ত কমিটি গড়ল রাজ্য সরকার।সরকার এবার যাদবপুর কাণ্ডে কিছুটা নমনীয় হল ।যেহেতু গতকাল রাতে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন ছাত্রী নিগ্রহের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে।
তারপর সোমবারই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে চেয়ারম্যান করে এই তদন্ত কমিটি গঠন করল। সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
তবে ছাত্রদের দাবি মত উপাচার্যের অপসারণ প্রশ্নে নীরব শিক্ষামন্ত্রী।
ইতিমধ্যে কোলকাতায কামদুনি আমদানি প্রশাসনিক দক্ষতার আবার আরেকটি নিদর্শন।
মজার কথা হল,যাদবপুরে নির্যাতিতা ছাত্রীর বাবা শুক্রবার আশঙ্কা প্রকাশ করেন, মেয়ের শ্লীলতাহানির ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যেতে পারে।
তাত্পর্য্যপূর্ণ ভাবে গোটা ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি।
জ্ঞাতব্য, এই ঘটনার দুদিন পর রবিবার যাদবপুরকাণ্ডের নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করে ন্যায় বিচারের আশ্বাস দেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এরপর রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।
এবং রাতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় যাদবপুরকাণ্ডে নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য কমিটি গড়ার কথা ঘোষণা করেন।
শিক্ষা মহলের একাংশের ধারণা, যাদবপুরকাণ্ডে ব্যাপক আন্দোলনের জেরে তদন্ত কমিটি তৈরি করে কিছুটা নমনীয় হল রাজ্য। কারণ এই তদন্ত কমিটি নিয়েই দিন কয়েক আগেই ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছিল শিক্ষামন্ত্রীর গলায়।
তবে উপাচার্য পদত্যাগ না করলে ছাত্ররা ক্লাস বয়কট চালিয়ে যাবেন শুধু না, উপাচার্যকে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন।
এপার বাংলায় রাজনৈতিক মেরুকরণের যথাসম্ভব ক্ষমতার রসায়নে এসিডজ্বলা ছাত্রসমাজের চেহারা,শিক্ষাক্ষেত্রের নৈরাজ্য ঠিক কোন জাযগায় যেতে পারে,শাহবাগের উজ্জ্বল ছবির পাশাপাশি তার একটি চিত্রঃচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। রোববার মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বশান্তি প্যাগোডা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় ছাত্রলীগ কর্মীরা স্থানীয় নুর কটেজ ও বিশ্বশান্তি প্যাগোডা হোস্টেলের বেশ কয়েকটি কক্ষে ভাংচুর চালিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
হাটহাজারী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইসমাইল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রাকিব নামে এক ছাত্রলীগ নেতা আদিবাসী শিক্ষার্থীদের জন্য রক্ষিত ছাত্রবাস প্যাগোডায় অবস্থান করছে বলে খবর পেয়ে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ সেখানে গেলে উভয় গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এতে কোনো হতাহত হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সুমন মামুন বলেন, ভিএক্সের কর্মীরা বিনা উসকানিতে বিশ্বশান্তি প্যাগোডার দুইটি ও স্থানীয় নুর কটেজের চারটি কক্ষে ভাংচুর চালিয়েছে। তারা এ সময় ২০-২৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে এবং কটেজের কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের সনদে আগুন দেয়।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক দফতর সম্পাদক জালাল আহমেদ বলেন, প্যাগোডা হচ্ছে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের জন্য রক্ষিত। কিন্তু সুমন মামুনের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ নামধারী বহিরাগতরা প্যাগোডার বৈধ শিক্ষার্থীদের বের করে দিয়ে বেশ কয়েকটি কক্ষ দখল করে নেয়।
নৈরাজ্যের আর একটি চিত্র সেটাও ওপার বাংলার।সোনাকান্তি বরুআর চিত্রার্পণেঃ আমরা কি মানুষ না আমাদেরকে ধর্মের নামে অধর্মের ভূতে পেয়েছে। বাংলাদেশে অর্পিত সম্পত্তি বা শত্রু সম্পত্তির অর্থ কি? মানুষ জাতি বা আশরাফুল মাকলুকাত শয়তানের গোলাম হয়ে পাকিস্তানের লাল মসজিদ রক্ত গঙ্গায় ভাসানোর দরকার ছিল না।
ধর্মের নামে নর নারী হত্যা কোন ধর্মেরই পবিত্র বাণী নয়।
ধর্মের নামে যে পশু আমাদের অন্তরে প্রবেশ করেছে সেই পশুকে মানবতার অস্ত্র দিয়ে ধ্বংস করে মানবতার দেশ গড়ে তুলতে হবে।
অহিংসার মহব্বতই মানবিক কর্মযজ্ঞ।
অপেক্ষার সময় ফুরিয়ে গেছে। সময় এসেছে সামপ্রদায়িক ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার।
বাংলাদেশে প্রতারক রাজনীতিবিদগণের চরিত্র কয়লার মত শত ধু'লে ও ময়লা যায় না। প্রতারণার রাজনীতিতে দেশ ও জাতি স্বাধীনতায় অমৃতের সাধ ভোগ করতে করতে ও করতে পারেন নি।
বিগত দুর্নীতিবাজ জোট সরকারের পৈশাচিক উল্লাসনৃত্যের আমলে ৫০০ বোমার প্রতিধ্বনিতে আলকায়দার হায়নারা চট্টগ্রামের গহন বনে প্রবেশ করে কোথায় হারিয়ে গেল?
মা মাটি মানুষের সরকার ,শুনছেন কি?
পশ্চিম বঙ্গ ও বাংলাদেশেই শুধু নয়,সারা মহাদেশে ধর্মোন্মাদী প্রতারক রাজনীতিবিদদের আধিপাত্য।
মানুষ মারার কল সর্বত্র সমান্তরালে সমানতালে চলছে ত চলছে।
আসল নৈরাজ্যের অংশীদার এই ধর্ষণের সংস্কৃতিতে হেফাজত জামায়েত রাজনীতির মহাজোট।
সহবাগ আন্দোলন ঠেকাবার মরিয়া চেষ্টায় জামাত হেফাজতের এই কারসাজির আলোকে পশ্চিম বঙ্গের ভবিষ্যত ও ভবিতব্য যে একই খাতে বইছে,হালের ঘটনাবলী সেই অশনিসংকেতই করছে।
যাদবপুরের ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার রাজনীতি ও শাসকের সংলাপহীন অতি সক্রিয়তা যে কত বড় সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে,সারা রাজ্যে ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়া সন্ত্রাস আস্তরণ তারই বনজির নজির।
প্রতিষ্ঠানের সমন্তরাল ক্ষমতার রাজনীতি ও শাসকের চোখরাঙাণিতে চলা বিবেকহীন প্রতিষ্ঠানের এই দুঃসময়ের নাম আজকের যাদপুরের প্রতিরোধ।
যাদবপুরকে সমর্থন না জানানোটাই হয়ত সব চেয়ে বড় অপরাধ।
পাশে আছি যাদবপুর।
ইতিমধ্যে যাদবপুরের নিগৃহীতা ছাত্রীর অভিযোগ সত্য কিনা তা খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করে দিল সরকার গঠিত কমিটি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করলেন চেয়ারম্যান সুরঞ্জন দাস। পরে কমিটির দুই সদস্য দেখা করেন নির্যাতিতার সঙ্গে। অন্যদিকে, কমিটির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন চেয়ারম্যান।
গত ২৮ অগাস্ট যাদবপুরের হস্টেলের মধ্যে তাঁকে নিগ্রহ করে তারই কয়েকজন সহপাঠী। ছাত্রীর অভিযোগ, অধ্যক্ষের ভূমিকা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ পুলিসের লাঠিচার্জ। সবমিলিয়ে সংবাদ শিরোনামে যাদবপুর।
ঘটনার ২৫ দিন পরও নীরব ছিল সরকার। কিন্তু, ছাত্রছাত্রীর রাজপথে কলরব, রাজ্যপালের হস্তক্ষেপের জেরে বাড়তে থাকে চাপ। শেষপর্যন্ত সুরঞ্জন দাসের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হয়। মঙ্গলবার থেকে কাজ শুরু করে দিল সেই কমিটি।
দুপুরে তদন্ত কমিটির দুই সদস্য প্রথমে নির্যাতিতার বাবা ও পরে নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করেন। কমিটি গঠনের পরই নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ছাত্রছাত্রীরা। তাঁদের অভিযোগ, কমিটির অধিকাংশ সদস্যই শাসকদলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। কেন বিশাখার সুপারিশ মেনে কোনও মহিলাকে কমিটির চেয়ারম্যান করা হলনা প্রশ্ন ওঠে তানিয়েও। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাশ।
এদিন সরকারের পক্ষে সরব হয়েছিলেন আরও কয়েকজন। যাদবপুরকাণ্ডে ছাত্রবিক্ষোভকে ঠেকাতে সরকার যে কতটা মরিয়া উপাচার্যদের সাংবাদিক সম্মেলন তার আরও একটা প্রমাণ বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।
প্রতিষ্ঠানের সমন্তরাল ক্ষমতার রাজনীতি ও শাসকের চোখরাঙাণিতে চলা বিবেকহীন প্রতিষ্ঠানের এই দুঃসময়ের নাম আজকের যাদপুরের প্রতিরোধ।
যাদবপুরকে সমর্থন না জানানোটাই হয়ত সব চেয়ে বড় অপরাধ।
পাশে আছি যাদবপুর।
24 ঘন্টার খবরঃযাদবপুরকাণ্ডে নাটকীয় মোড়। তৃণমূলের মিছিলে যোগ দিলেন নিগৃহীতা ছাত্রীর বাবা। গত শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করে যাদবপুরকাণ্ডের জন্য উপাচার্যকেই কাঠগড়ায় তুলে ছিলেন তিনি। কিন্তু, শিক্ষামন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে কথা বলার পরই আজ তৃণমূলের অবস্থান বিক্ষোভে যোগ দিয়ে বললেন, উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনের আর কোনও প্রয়োজন নেই।
তখনও উত্তাল কামদুনি। শাস্তির দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন।সরব নির্যাতিতার পরিবার।
এরপরই ক্যামেরার আড়ালে ঘটে গেল বেশকিছু ঘটনা। নির্যাতিতার পরিবারের একাধিক সদস্য সরকারি চাকরি পেলেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় বাড়ি। তারপরই বদলে গেল পরিবারের সুর। এখন সরকারের পাশেই নির্যাতিতার পরিবার।
এবারও সেই একই স্ক্রিপ্ট। শুধু স্থান কাল আর পাত্রের পরিবর্তন। যাদবপুরের নিগৃহীতা ছাত্রীর বাবা এই সেদিনও ছিলেন সরকারের বিরুদ্ধে সরব।
তার মেয়ের পাশে দাঁড়াতে রাস্তায় ছাত্রছাত্রীরা।
রবিবার তার বাড়ির দুয়ারে হাজির লালবাতির গাড়ি। প্রায় ঘণ্টাখানের রুদ্ধদ্বার বৈঠক। সোমবার সকালে সোজা নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আরও একপ্


