এটিএমে ক্যাশ গন্ডগোল সমাধানে মুদির দোকানি বাবুদা উবাচ
এটিএমে ক্যাশ গন্ডগোল সমাধানে মুদির দোকানি বাবুদা উবাচ
হে কহিল,জাল নোট,ছেঁড়া নোট,যাহা গন্ডগোল দেখিবে,ততক্ষনাত ঔ ক্যামেরায় দ্যাখাইতে হইব।
পলাশ বিশ্বাস
বুড়া হইতাছি।সবকিছু হঠাত ভাল মাইরা যাই।গতকাল দোকান থেক্যা ওষুধ আইন্যা ছাতার মাতা কোথায় যে ফেলাইয়া বইসা আছি,মালুম হইতাছে না।আবার ওষুধ আননে গিন্নির ইমারজেন্সি কল,দুধ আনতে হইব।
সেইমত বাবূদার মুদির দোকানে হাজিরা।
তকুনি একজন বাবুদার চোখের সামনে হাজার টাকার এক খানি নোট ঝুলাইয়া দিলেন।বাবুতা পরীক্ষা নিরীক্ষা কইরতে লাগছেন ত সেই ভদ্রলোক কইলেন,এটিএম থেক্যা আনছি।জাল হইলে কিচ্ছু করণের নাই।
বাবুদা হাইস্যা খান খান।
বাবুদা কহিলেনঃ কি যে কও,এটিএমে যাও,কল বোঝোনা।বেবাক ইন্তেজাম রইছে না।
তারপর বাবুদা কহিলেন,এটিমে জলজ্যান্ত ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা রইছে একখান।টাকা তুইেল্যা পকেটে রাইখ্যা দৌড় লাগানোর আগে অবশ্যই হেই ক্যামেরার সামনে টাকা গোনন লাগে।কম বেশি হইল কিনা দ্যাখোন লাগে।
মুই শুধাইলাম,জাল হিসে পর।
হে কহিল,জাল নোট,ছেঁড়া নোট,যাহা গন্ডগোল দেখিবে,ততক্ষনাত ঔ ক্যামেরায় দ্যাখাইতে হইব।
সব এটিএমে একখানি ফোন রইছে।ক্যামেরায় গন্ডগোল রেকর্ড করাইয়া লাগান ফোন ব্যান্ককে।তারপরে ফর্মাল নর্মাল কমপ্লেন।
বাবুদার উবাচনে চক্ষু খুইল্যা গেল।
কহিলাম,হে ব্যাটা বেটি ব্যান্কের গাইডলাইনে তো ক্যামেরার সাক্ষ্য নিয়া সবিস্তারে কিচ্ছু কহে নাই।আজ মুই জানতি পারলাম।
এক্ষুনি পিসির পাতে ফ্যাইল্যা জনগণকে জানাইতে হইব।
হেই কারণে লক্ষ্মীর পাঁচালি লইয়্যা লিখতা বইছি।
ভারতের আইসিআইসিআই ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে কার্ড ছাড়াই টাকা তোলা যাচ্ছে। গ্রাহক তার অ্যাকাউন্ট থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভারতের যেকোনো স্থানে টাকাও ট্রান্সফার করতে পারবেন। আর এটি করা যাবে ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে লগ ইন করার মাধ্যমে।
বর্তমানে ইলেক্ট্রনিক রেমিট্যান্স গ্রহণের এ সুযোগ কেবল অ্যাকাউন্টধারীদের জন্য। এটি প্রাথমিকভাবে ব্যাংকের সঞ্চয়ী হিসাবধারীরা ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এ সুবিধা পাবেন।
আগামী পাঁচ মাসে দেশ জুড়ে ২৬,৫০০ টি নতুন এটিএম খোলার পরিকল্পনা করছে স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া৷ এই নতুন এটিএম খোলা হলে এটিএম এর সংখ্যা হবে ৬৫ হাজার৷ এই বিপুল পরিমাণ এটিএম পরিষেবার চালু করে ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা করা হচ্ছে বলে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে৷
প্রসঙ্গত ভারতীয় স্টেট ব্যাংক এবং আরও বেশকিছু রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকের সাথে যৌথ উদ্যোগে ৩৮ হাজার ৭৭৯টি এটিএম খুলেছে৷
এই ব্যাপারেই স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার এক এক্সুকিউটিভ জানান ,'২০১৪ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই সাত হাজার ৮০০ টি এটিএম মেশিন খোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে৷
এই এটিএম গুলির পরিষেবা সচল করার জন্য ইতিমধ্যে মুম্বইয়ের তথ্য প্রযুক্তি সংস্থার সঙ্গে কথাও হচ্ছে৷ ওই সংস্থাকে ২৫০-২৬০ কোটি রুপির বিনিময়ে বরাত দেওয়া হয়েছে৷'
এটিএম বলতে বুঝায় অটোমেটেড টেলার মেশিন। এটিএম দিয়েকোন মানুয়ের সহায়তা না নিয়েই ব্যাংক বিল্ডিং এর বাইরে যেকোন স্থানে ব্যাংকের একজন হিসাবধারী যেকোন সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে টাকা উঠানো,ব্যালেন্স অনুসন্ধান, মোবাইল পেমেন্ট, ব্যালেন্স ট্রান্সফার, মিনি একাউন্ট স্টেটমেন্ট প্রিন্ট প্রভৃতি কাজ করতে পারে। এটিএমে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্রের মাধ্যমে ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ বা চিপ প্রযুক্তি যুক্ত প্লাস্টিক কার্ডের দ্বারা লেনদেন করা হয়।
বর্তমানে এটিএম সার্ভিস ব্যাংকিং খাতের এক জনপ্রিয় প্রদান মাধ্যম হিসাবে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সমস্ত আন্তঃব্যাংক এটিএম সুইচকে সমন্বিত করে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) চালু করেছে। অর্থাৎ যে কোন ব্যাংকের এটিএম হতে অন্য ব্যাংকের হিসাব হতে টাকা উঠানোসহ অন্যান্য কাজ করা যাবে। দেশে কিছু বেসরকারী উদ্যেগে প্রাতিষ্ঠিত সুইচ এটিএম সেবা প্রদান করছে যেমন –Omnibus, Q-Cash, Cash link উলেস্নখযোগ্য। বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে এটিএম সেবা চালু রয়েছে।


