জামাত এজেন্ডার পক্ষে সওয়াল, দুই বাংলা এক হোক
মমতার ঈলিশ দৈত্যের হাসিনা জবাব পানি নাই,ভাইস্যা যাইব ঈলিশ
দেব কহিলেন, দুই বাংলা এক করে দাও, এটাই আমাদের স্বপ্ন
সে যা হল তা হল,বিশ্ব বাংলায় আবার রটিল,রবীন্দ্রনাথে নিয়ে আমাদের ন্যাকামি এখন রীতিমত ছেলে খেলা।
ইতিমধ্যে বাংলাদেশ জ্বলছে তো জ্বলছে,কতটা ইন্ধন যোগালেন দিদি,হিসাব হবে পরে।
আসলে এরশাদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খুব গভীর আর পুরনো। তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা এখনও কোচবিহারের দিনহাটাতেই থাকেন, রংপুরে যাওয়ার আগে নিজেও স্কুলজীবনের অনেকটা দিনহাটাতেই কাটিয়েছেন। সে সময় ‘পেয়ারাদা’-র নেতৃত্বে কীভাবে দিনহাটার স্কুলের ছেলেপিলেরা মেয়েদের পেছনে লাগত, তার সরস বর্ণনা আছে কবি উৎপলকুমার বসুর বর্ণনাতেই। সেই পেয়ারাদাই পরে জেনারেল এরশাদ হয়েছেন, এমনকি ভারতের দেরাদুনে ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমিতেই সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। ক্ষমতায় থাকার প্রয়োজনে পরে যা-ই করে থাকুন না-কেন, এরশাদকে ভারতের আজকের নীতিনির্ধারকরা কিন্তু এখনও ভারতের মিত্র ও একজন আপাদমস্তক ধর্মনিরপেক্ষ মানুষ বলেই মনে করেন। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে এদিন বলছিলেন, ‘বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ওপর মি. এরশাদের আর সেরকম কোনও প্রভাব নেই তা আমরা জানি, কিন্তু তার রাজনৈতিক মস্তিষ্ক এখনও ভীষণ ক্ষুরধার। ফলে তার মতামতকে ভারত বরাবরই গুরুত্ব দেয়।’ বর্তমানে বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন যিনি, সেই জাসদের নেতা হাসানুল হক ইনু-র সঙ্গে আবার দিল্লির কংগ্রেসি নেতাদের ততটা ঘনিষ্ঠতা ছিল না– কিন্তু তিনি ভারতের সিপিআই বা সিপিএমের অনেক বামপন্থী নেতারই বেশ কাছের লোক ও প্রিয়পাত্র ছিলেন। ভারতে সিপিআই ও সিপিএম নেতারা সরাসরি কেন্দ্রের ক্ষমতায় বা ক্ষমতাসীন জোটে অল্প সময়ই ছিলেন, কিন্তু দিল্লিতে তাদের প্রভাব-প্রতিপত্তি কখনোই কম ছিল না, তাদের হাত ধরেই ভারতে অনেক বন্ধু তৈরি করতে পেরেছিলেন এই পোড়খাওয়া বাংলাদেশি রাজনীতিক। দিল্লিতে ইনুর ঘন ঘন আনাগোনাও সেই নয়ের দশক থেকেই। পরে গত দশ বছরের কংগ্রেস আমলে তিনি কংগ্রেস মহলেও অনেকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলেছেন, এবং এখন সাউথ ব্লকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বাংলাদেশে তাকে একজন অগ্রগণ্য ভারতবন্ধু হিসেবেই গণ্য করেন। আওয়ামী লীগের বাইরের এই তিন রাজনীতিক বাংলাদেশের মাটিতে ভারতের হয়ে কোনও কলকাঠি নাড়ছেন না বা কোনও ষড়যন্ত্রেও সামিল নন বলেই ভারতের কর্মকর্তারা বলে থাকেন। কিন্তু প্রতিবেশী দেশে এমন প্রভাবশালী বন্ধুদের থাকাটা কাজে দেয় সবার জন্যই– আর ভারতও তার সুযোগটা কাজে লাগাতে চায় পুরো মাত্রাতেই। http://www.banglatribune.com/বাঘা-সিদ্দিকী-এরশাদ-ইনু-ভ
পলাশ বিশ্বাস