প্রসঙ্গঃভোট ভাঁড়ে মা ভবানী!
প্রসঙ্গঃভোট ভাঁড়ে মা ভবানী!
দিদির খাস তালুক ভবানীপুরও হাতছাড়া হইতে পারে
দিদি ক্যান বুঝতাচেন না যে খাল কাইটা কুমির আনিলে সেই কুমিরে প্রাণসংশয় হইবই!গোকুলে বাড়তাছে বিজেপি।
দিদির লাইগা হ্যাভক চিন্তায় আছি।
লাল না হউক ,জনগণ যে গেরুয়াও হইতাছে এবং বেশি রকম হইতাছে,যে হেতু আপনে ও চান বিজিপি যা খুশি যেমন খুশি যাচ্ছে তা যা কিছু কইরা সিপিএম এবং কংগ্রেস সাবড়ে দিক। চুহা মারিবার ফন্দিতে বিল্লী আমদানি দিল্লী থেইকা, সেই বিল্লীই যদি বাঘিনী শিকার করে.তালে?
দাগে দাগে ভরা দাগিদের ভরসায় কেল্লা আগলাইয়া বইসা গান ধইরাছেন বেণী না ভিজাই,তলারও খাই, গাছেরও কুড়াই- আহা,প্যাকেজ না হয় দিলই না, কিন্তু তা বলে কি যাহা চায়, সেই মত এই বাংলা হনুদের ভোগে লাগাইতে দিমু না,ভাবতাচেন ত ভাবুন,কারোও বাপের সাধ্যি নাই আপনকে বোঝায়,কিন্তু মগের মুল্লুক হনুদের ভোগে লাগলে যার যা কপালে জোটে,বাংলা আর বাংলা থাকতাছে না।
কি জানি কোথাকার জল কোথায় গড়ায়!
সত্যি সত্যি যদি কান টানতেই মাথাখানা ঘটাত কইরা ধূলায় লুটাইয়া পড়ে,ত একচের মাটি উত্সব সমেত তামাম উত্সব ক্যালাইয়া যাইব।
কংগ্রেসের সহিত জোট করিলেই কেরলের ভোটে সিপিএমের লালবাতি,ঔ আত্ম হননের পথ আবার ক্ষমতার গন্ধে মম পাগলপ্রায় মলয়ালি কমরেডেরা পোলিটব্যুরোকে আদৌ মাড়াইতে দেবনে না,বাজারি কাগজের গপ্পো তাহা চিন্তার কারণ নহে।বাংলার ন্যাতাদের দৌড় ঐ জ্যোতিবাবুকে পর্ধানমন্ত্রিত্ব থেকে বন্চিত করা বা সোমনাথ চ্যাটার্জিকে,রেজ্জাক আলি মোল্লাকে খেদানো পর্যন্ত।
সীতারাম ইয়েটুরেক যতই না কারাটকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে কমরেড জেনারেল বানাইয়া ছাড়ছেন,সে ব্যাটাও ভোটের অন্ক ভালোই বুঝে।
আকাশে উড়ন্ত পাখি ধরার হুজুগে কেরল ও ত্রিপুরাতেও কংগ্রেসের হাতে সিপিএম বধের ব্রহ্মাস্ত্র তুলিয়া দেওনের মত পাগলামি ছাগলেও করবে না,পাগল হইলে আলাদা কথা।
ন্যাতা ন্যাতিদের জোটে ভোটে ক্ষমতার কুপি ওলটানোর কেস্সা বারম্বার ,বিশেষতঃ এই বাংলায় যেখানে যে কেউ সুযোগ পাইলাই এমএলএ এমপি হওনের লাগিয়া কাপড় চোপড় রা্স্তায় ফেলাইয়া জোর দৌড়ে বুড়ি ছোঁযার জোগাড় যন্তরে মানস অথবা ভুইয়াঁ হইয়া রহিযাছেন,গরুতে খাইলেও মানসে এই গপ্পো খাইব না।খাইব না।
তবু যে কেন চোনা পান কইরা সবজান্তারা হিজাইতাছে।দন্ত ক্যালাইয়া ভূল অন্ক কষতাছেন,হে বোঝার কাম আম জনগণের নয়।গাজন লাগচে,রগড় হইতাছে,লে হালুয়া কিংবা লে বিরয়ানি।ফ্রীতে রাজনীতির বিনোদন বাঙালির মুড়ি সহকারে রকবাজি।
ইহার লাইগা চিন্তার কারণ দ্যাখি না।
দিদির রাগ ভয়ন্কর।মেজাজ প্রলয়ন্কর।কাব্যে দারুণ।
অত সোন্দর কবিতা লেখতে পারেন, ছবিও কোটি কোটি টাকায় বিকোয়,হাওয়াই চপ্পলের সততার ছবি ছাড়া মাল কড়ি আহা, কিছুই বুঝি নাই,তবু বুঝি না মোসাহেবদের পরামর্শে ও আবদারে তিনি ভোটের আগেই ভোট জিতা বইসাছেন।বুমরাং হওনের ভয় এইজন্যই।আগাম জিতন চিতরাইয়া না যায়।
দিদি গো,দাগে দাগে ভরা দাগিদের ভরসায় কেল্লা আগলাইয়া বইসা গান ধইরাছেন বেণী না ভিজাই,তলারও খাই ,গাছেরও কুড়াই- আহা,প্যাকেজ না হয় দিলই না,কিন্তু তা বলে কি যাহা চায়, সেইমত এই বাংলা হনুদের ভোগে লাগাইতে দিমু না,ভাবতাচেন ত ভাবুন,কারোও বাপের সাধ্যি নাই আপনকে বোঝায়,কিন্তু মগের মুল্লুক হনুদের ভোগে লাগলে যার যা কপালে জোটে,বাংলা আর বাংলা থাকতাছে না।
অভিনেত্রীদের ক্ষেমতাও কম মনে কইরবেন না।
অভিনয় কোথা কোন কাজে অকাজে লাগে তাহা আপনি ভালোই বুঝেন।
এদিকে কিন্তু কোয়েল মিমি শ্রাবন্তী নুসরতদের মত বালিকারাও বাঙালির সেরা রোমান্স সুচিত্রা সেনকে ভুলাইয়া ছাড়ছে। বুড়িদের পাত্তাই দ্যায় না কেউ।বুড়োগুলো ভাম।দেবের পাগলু ডান্সে বাংলা বাংলু খাইয়া কুপোকাত,ষএমন চিত্তির যে কোথাকার কোন্ ব্যাটা উত্তম কুমারকে কে শুধোয়?
দ্রোপদী মহাভারতে কুরুবংশ ধ্বংস কইরাছিল,বাংলা জয়,আরে কমসকম ভবানীপুর দখল এমন আর কি?এই কুরুক্ষেত্রে?
বিজেপি বাড়তাছে রোজ রোজ আর আপনার মনে বুঝিবা দিল্লীকা লাড্ডু টগবগাইতাইছে আহারে এবার বুড়ো কমরেডরা দলে দলে পটল তুইলবেন কিংবা কংগ্রেসের সাইনবোর্ডও থাকতাছে না।অধীর চিত্তে রহিবে না উল্লাস।বাকীদের জন্যদরজা জানলা খুইলা হা পিত্যেস কইরা বইসা আছেন।
লাল না হউক ,জনগণ যে গেরুয়াও হইতাছে এবং বেশি রকম হইতাছে,যেহেতু আপনে ও চান বিজিপি যা খুশি যেমন খুশি যাচ্ছে তাই যা কিছু কইরা সিপিএম এবং কংগ্রেস সাবড়ে দিক।চুহা মারিবার ফন্দিতে বিল্লী আমদানি দিল্লী থেইকা,সেই বিল্লীই যদি বাঘিনী শিকার করে.তালে?
যেমন কহিয়া থাকেন মিল মিলাইয়া ছন্দে ছন্দে,পাহাড় হাসতাচে,জঙ্গল মহল আল্লাদে আটখানা ধেই ধেই নাচতাছে,
সরেজমিন কেহ কাঁদতাচে কিনা নিঃশব্দে কি সরবে,কোথাও হোক কলরব হইতাছে কিনা আর সব মতুয়া পাখিরা ফাঁদে পড়ছে কিনা আইবি দিয়া তদন্ত করলেই হয়,সিটে ভরসা থাকলে সিটও দুই একখানি কইরা হাল হকীকত দেখুন।
দলিত আদিবাসী পিছড়ে কে কোথায় আছড়ে পড়বেক,কেহ কি মাথা কিনিয়া রাইখছেন?
সব বাড়িতে সাদা থান দিতা হইলে কত থান লাগে?
কত ধানে কত চাল ?
সংখ্যালঘু ভোটও কারো বাপের জমিদারি নয়,যেমনটা ভাইবা যা ইচ্ছে তাই কইরা বামেদের পতন হইল,সেই দিনের কতা ভোলতে কি পারি?ভাতায় মিয়াঁদের মন জয় মুশকিল।
সেই নেডে়দের হাইকোর্ট দ্যাখাইয়া পাওনের বেলায় কাঁঠালি কলা সর্ব পাতে,ঠ্যালা বামেরা বোঝতাছে,টুপি পরাইয়া,হিজাব পিনহে,নমজ দোয়া খোদা হাফিজে আম্মার চিঁড়া আবার না ভিজিলে কিন্তু মুদিখানার মাস্টার প্লান বাংলা দখলের কার্যকরি হইলেও হইতে পারে?
বাংলায় বর্গিরা আবার সবকিছু তহেস লহেস করার লাইগা ঝাঁপাইতাচে আর গেরুয়া গেরুয়া গাহিয়া জনগণ পদ্ম ফোটাইতাছে,চক্ষুর মাথা কি জন্মের মত খাইছেন,যে সবরকম ছাড়ে গেরুয়া গেরুয়া উত্সবে মাতিয়াছেন?
দিদির লাইগা হ্যাভক চিন্তায় আছি।
কি জানি কোথাকার জল কোথায় গড়ায়!
সত্যি সত্যি যদি কান টানতেই মাথাখানা ঘটাং কইরা ধূলায় লুটাইয়া পড়ে,ত একচের মাটি উত্সব সমেত তামাম উত্সব ক্যালাইয়া যাইব।
মনে কইরবেন ট্রাম্প কার্ড কিন্তু এক্ষুনি মুদিখানার দখলে।
বিরিন্চি বাবার টাইটেনিক জাহাজে চইড়া ভরাডুবি না হইলেই হয়!সবখানে হাইরা ভূত,বাংলায় সেই বূতের ন্রেত্য!
দিদিগো,তেমনতর কিছু হইলে,পোড়া কপাল,খয়রাতের দান ছত্রে যা কিছু রোজগার পাতি হইতে ছিল,তাহা ত বন্ধ হইবেই- তার চাইতেও বড় কথা কার বিরুদ্ধে যে কখন ফাঁসির রায় বেরোয় এবং তখন কিন্তু যাহার লাইগা চুরি করিনু, লূটপাট,রেপ, ইত্যাদির মাধ্যমে এই যে মগের মুল্লুকে সন্ত্রাসে বসবাস,সশরীরে স্বর্গবাস,তা নলেন গুড়ে বালির মতই না হইয়া যায়।তহনফাঁকতালে কে কোন দলে ঝাঁপ দেয়,কহনা মুশ্কিল!
ইহার চাইতেও আরও একখানি চিন্তা বড়ই বেদনার,দিদি ত জনপ্রিয়তার নিরিখে দিদি নাম্বার ওয়ানের চাইতে মাইল মাইল পিছাইয়া রহিয়াচেন!ঔ লক্ষ্মীর ঝাঁপি অলক্ষ্মীর পর্যায় এক্ষুনি!
সাইকেল ,কম্বল ও জুতোয় কত আর মন ভরে!
খাদ্য সুরক্ষার যে আশা জাগতাছিল,বেবাক রেশান দোকান জেলায় জেলায় পাবলিকের গুতোয় পাততাড়ি গোটাইতেছে,এহন যদিও মহার্ঘ্য ডিজিটাল রেশন কার্ড ভূলভাল ছাড়া কপালে জোটেও,হা কপাল খানি এমনিই পোড়া,যে রেশন মিলবে কি মিলবে না,না জানে কে জানে।
দিদি নাম্বার ওয়ানের জনপ্রিয়তা থেকে ক্লু লইয়া এহন যদি ওরিজিনাল দিদি মোদের কল্পতরু হইয়া সোনা দানা,সাড়ি গহনা,ফ্লাট না হইলেও ফ্লাট সাজাইবার যাবতীয় আসবাব জনগণের জন্য বরাদ্দ করতে পারেন,ত কোনো হালায় মানুষের জোট করুক বা অমানুষের জোট করুক,দিদিকে ইহজন্মে আর হারাইতে হইব না।দিদি না হয়.তাই করুন!দিদিগোম
মুশকিল হইতাছে যে পিপিপি উন্নয়ণে হেজিয়ে মইরাও লগ্নি জুটতাছে না।লগ্নি হইতাছে,ত জমি মিলতাছে না।জমি মিলতাচে ত সিন্ডিকেটশিল্পের পিন্ডি চটকাইতেছে।
সিঙ্গুরের চাষিগুলান উলগুনান গাহিতেছে।
উপরন্তু কেশপুরে শেষপুরেও সেই লাল ঝান্ডা পত পতউড়তে লাগতাছে,দেইকাই গা বমি বমি ভাব।
পোয়াতি লক্ষণ ষোলো কলা।
বিয়োনের পর বুঝিব বকনা না অন্য কিছু।
শুধু মুধু শিলান্যাস এবং প্রোমোটার বিল্ডার সিন্ডিকেটে কি রাজকোষ ভরে!
যা কিছু রাজ্যের আয়,তা মহার্ঘ ভাতা না দিলেও সপ্তম পে কমিশান লাগু করতেই উড়তাং,তাহার পর রাজ্য সরকারের কর্মচারি সকল উচ্চচিংড়ির একশ্যাষ।
কোন্ ব্যাডা বেডি তলায় তলায় তরবুজ,তা বোঝা দায়।তারপর বেতন বন্ধ হইল কি হইল না ,মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা সত্বেও মিলিল কি মিলিল না,উহারা শেষ পর্যন্ত কোন দিকে ঘুরিয়া দাঁড়ান এবং শেষ পর্যন্ত বৃদ্ধ কমরেডদের নেতৃত্বে,জোট হোক বা না হোক,সিপিএম যদি ঘুইরা দাঁড়ায়,হার্মাদ বাহিনী আবার যদি লালে লাল হয়,বেবাক চিন্তার কারণ।
দিদিকে হারানো তেমন কঠিনও নয়।
মোদীর সহিত গুজুর গুজুর কিংবা কামদুনি থেকে কাকদ্বীপ পর্যন্ত মেক আপ ভ্যানসহ গেরুয়া তারকাদের অভিযান কিংবা প্রচন্ড গৌরিকায়ন হাওয়া বাতাসে দিকেদিকে পদ্ম ফুটানিতে দিদির দুর্জেয় কেল্লা লখীন্দরের অছিদ্র বাসর ঘরের মত কাল কেউটের ছোবলে কুপোকাত তাসের ঘর না হইয়া যায়।
বাঙালিরা বড়ই সংবেদনশীল,পানের থেইকা চুন খসলেই মহাভারত অশুদ্ধ।
এমন বেয়াড়া পাবলিক যে কমরেডদের পয়ত্রিশ বছরের ফোলানো ক্ষমতার বেলুন ফাঁসাইয়া মানছে,শেষ পর্যন্ত কার ঢোল কে যে ফাঁসিয়ে দ্যায়।
দিদি গো,মুদিখানার ভরসায় রাজকার্যের রকম সকম সুন্দরবনের ধ্বংসপ্রায় ম্যানগ্রোভ বা ঠাউর করেন হাঘরে মানুষদের শিল্পাযনের স্বপ্নে গ্রাম বেদখল শহুরি শিকড়ছাডা় মানুষের বন্যা,কাহার ভোট যে কোথায় পড়ে!
কল কারখানা যতেক বন্ধ ছিল,পরিবর্তনের পরও গোটা কয়েকও খুলিল না।
চতুর্দিকে নানাবিধ হাব হাবি দিতাছে।মলে মল।
মরণের তরে পিপীলিকার পাখা গজায়,পাড়ায় পাড়ায় ভুয়ো শিক্ষার লাখো লাখ দোকানে যে বেকার সৈন্যবাহিনী হাউ হাউ কইরা ডিগ্রি বগলে চাকরির সন্ধানে সারা দেশে ভিখারির মত কাজ চাই কাজ চাই কইরা পাগল প্রায়,এই কুলাঙ্গার যদি অঙ্গার হইয়া আবার আরেকখানি পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র কইরা বসে অথবা সাজানো কেসে এমনতর আদালতের রায় গণ ফাঁসির উত্সব হইয়া যায় ঘন ঘন,এবং বাঙালি মাছের গন্ধে দিল্লীর বেড়াল হেঁসেলে ধাওয়া কইরা সিবিআই দিয়া ওলটপালট কইরা দেয়,তহন?
দিদি ক্যান বুঝতাচেন না যে খাল কাইটা কুমির আনিলে সেই কুমিরে প্রণ সংশয় হইবই।গোকুলে বাড়তাছে বিজেপি।
দিদির খাস তালুক ভবানীপুরও হাতছাড়া হইতে পারে
দিদি ক্যান বুঝতাচেন না যে খাল কাইটা কুমির আনিলে
সেই কুমিরে প্রণসংশয় হইবই!গোকুলে বাড়তাছে বিজেপি।


