ছাত্রদল এখনো রাস্তায়,যাদবপুরের শ্লোগান এখন
জনতার সংগ্রাম চলবেই
আমাদের সংগ্রাম চলবেই, চলবে…
# অভিষেকেই যুব-রাজ
মিলে গেল তৃণমূল যুবা ও তৃণমূল যুব
দায়িত্বে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
পলাশ বিশ্বাস
শাসকের রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে আবার রাস্তায় যাদবপুর।
আবার রাস্তায় ছাত্রসমাজ।
আমরা পাশে আছি যাদবপুর।
জনতার সংগ্রাম চলবেই।
আমাদের সংগ্রাম চলবেই, চলবে…
ছাত্র সমাজের দাবি শুধু ছাত্রদের দাবি নয়।
পচনধরা সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুব সমাজের সরাসরি বিদ্রোহ ঘোষণা।
এই বিপ্লবকে স্বাগত।
আমাদের ঔ সব বিদ্রোহী ছেলেমেয়েরা দুধে ভাতে থাকার লড়াই লড়ছে না কিন্তু ,তাঁরা অন্ধকারের বিরুদ্ধে,তাঁরা নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ,তাঁরা এই মগের মুল্লুকের বিরুদ্ধে ,শাসকের রক্তচক্ষুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছে,আমরা ক্লীবের মত চুপচাপ
কেন?
সময় লিখবে আমাদের অপরাধ!
খবর হল,চরম অচলাবস্থার মধ্যেই নিরাপত্তারক্ষীদের সাহায্য নিয়ে অরবিন্দ ভবনে ঢুকলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অভিজিত্‍ চক্রবর্তী। আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ুয়াদের প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। বাধ্য হয়ে তাঁকে অরবিন্দ ভবনের বাইরেই অপেক্ষা করতে হয়। অবশেষে নিরাপত্তারক্ষী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মীদের সাহায্য নিয়ে অরবিন্দ ভবনে ঢুকলেন উপাচার্য। মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পুলিশি তাণ্ডবের প্রতিবাদে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে সরব পড়ুয়ারা। গতকালই ফের প্রতিবাদে গর্জে উঠে যাদবপুর। এই পরিস্থিতিতে পুজোর ছুটির পর তিনি এই প্রথম ক্যাম্পাসে পা দিতেই ফের অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়-ক্যাম্পাস।
ছাত্রছাত্রীদের ওপর পুলিসি নিগ্রহের এক মাস কেটে গেলেও উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে সন্ধেয় ক্যাম্পাস থেকে ঢাকুরিয়া পর্যন্ত মশাল মিছিল করেন ছাত্রছাত্রীরা। ঢাকুরিয়া থেকে মিছিল ফিরে আসে বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে। যাদবপুর থানার সামনে উপাচার্য অভিজিত চক্রবর্তীর কুশপুতুল পোড়ান ছাত্রছাত্রীরা। অভিজিত চক্রবর্তীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় ছাত্রছাত্রী ও অধ্যাপকদের একাংশ। বৃহস্পতিবার কালো ব্যাজ পরে প্রতিবাদ জানান ছাত্রছাত্রীরা। গণ-কনভেনশনেও অংশ নেন তাঁরা। উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে মহামিছিল করে অধ্যাপক সংগঠন জুটা।
ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা শুরু করলেও প্রথাগতভাবে ক্লাস বলতে যা বোঝায় যাদবপুরে তা এখনও বন্ধ। আর্টসের ছাত্রছাত্রীরা গাছতলায় ক্লাস করছেন। সায়েন্সের পড়ুয়ারা ক্লাস রুমে ক্লাস করলেও সাড়া দিচ্ছেন না রোল কলে। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ল্যাবরেটরিতে কয়েকটি ক্লাস হলেও হচ্ছে না থিয়োরি ক্লাস।
ইতিমধ্যে শাসকের ছাত্র রাজনীতিতে বড় সড় পরিবর্তনে মুখ্য়মন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির রকম সকম দেখে মনে হয়,তিনি তার রাস্তাতেই চলবেন।
আন্দোলনে মদ গাঁজা ভাঙ্গের গন্ধ শোঁকা দিদির সাংসদ ভাইপো এখন বাংলার ছাত্র রাজনীতিতে শাসকের মুখ।
সংবাদে প্রকাশশ,# অভিষেকেই যুব-রাজ
মিলে গেল তৃণমূল যুবা ও তৃণমূল যুব
দায়িত্বে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
# মোদী সরকারের সমালোচনায় মমতা
একাধিক প্রকল্প বাতিল ও বন্ধ
ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী
# নতুন সরকার যৌথ শাসন ব্যবস্থা ভেঙে দিতে চাইছে
১০০ দিনের কাজের নিয়ম বদল
"গরিবের ভাত মারছে কেন্দ্র'
"টাকা মিলছে না ১০০ দিনের প্রকল্পের'
"তিন মাস বন্ধ জে এন এন ইউ আর এমের কাজ'
মোদী সরকারকে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর
ইতিমধ্য়ে নিজের দফতরে ঢুকতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন উপাচার্য। অরবিন্দ ভবনের সামনে বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীদের দেখে তাঁদের মধ্যে দুজনের সঙ্গে কথা বলতে চান উপাচার্য। অরবিন্দভবনের বাইরে চেয়ারে বসে পড়েন তিনি। যদিও পদত্যাগের দাবিতে অনড় ছাত্রছাত্রীরা অভিজিত্‍ চক্রবর্তীর সঙ্গে কোনও কথা বলেননি। শেষ পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ ছাত্রছাত্রীদের ব্যারিকেডের মধ্যে দিয়েই অরবিন্দভবনে ঢুকে যান উপাচার্য। সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেন, ছাত্রছাত্রীরাই তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপদে ঢোকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।
অন্যদিকে উপাচার্য অভিজিত চক্রবর্তীকে বয়কটের সিদ্ধান্ত নিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা। যাদবপুরের অধ্যাপক সংগঠন জুটার তরফে এ কথা জানানো হয়েছে। উপাচার্যের তৈরি করা কোনও কমিটিতে থাকবেন না জুটার সদস্যরা। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কাজকর্ম বজায় রাখতে ছাত্রছাত্রীরা ক্লাস করতে চাইলে তাঁরা ক্লাস নেবেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে উপাচার্যের তলব পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকে পুলিস। ছাত্রছাত্রীদের মারধর করে ঘেরাও তুলে দেওয়া হয়।
যাদবপুরের ছাত্রছাত্রী ও অধ্যাপকদের একাংশের প্রতিবাদ সত্ত্বেও অভিজিত চক্রবর্তীকে স্থায়ী উপাচার্য পদে নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার। সোমবার, তাঁর কাজে যোগ দেওয়ার কথা। ওইদিনই, রেজিস্ট্রারের কাছে প্রতিবাদপত্র জমা দেবে জুটা। জুটা মনে করছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর করার ব্যাপারে কিছু সমস্যা রয়েছে। বিষয়টি আদালতকে জানানোর জন্য রেজিস্ট্রারের কাছে দাবি জানাবে তারা।
যদিও কিছুটা হলেও নমনীয় হলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অভিজিত চক্রবর্তী। স্থায়ী উপাচার্যের পদে যোগ দিয়ে আজ তিনি বলেন, আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীরা তাঁর সন্তানের মত। তাঁদের কিছু অভিমান থাকতেই পারে। আলোচনার মধ্যে দিয়ে তার সমাধান করতে হবে। যদিও ১৬ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাসে পুলিসি তাণ্ডব নিয়ে এদিন কোনও মন্তব্য করেননি তিনি।
দুপুর ১টা-কড়া পুলিসি পাহারায় কাজে যোগদান করলেন উপাচার্য। বিতর্ক সেফ প্যাসেজ নিয়ে। উপাচার্যের দাবি পড়ুয়ারাই সেফ প্যাসেজ দিয়েছেন।
দুপুর ১২:৩০-সাংবাদিক সম্মেলন শেষ করলেন উপাচার্য।
দুপুর ১২:১৫- সাংবাদিক সম্মেলন শুরু করলেন উপাচার্য।
সকাল ১১:৩০-অরবিন্দ ভবনে ঢুকলেন উপাচার্য।
সকাল ১১টা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এলেন উপাচার্য। শুক্রবার কড়া পুলিসি প্রহরায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকলেন তিনি। দুপুর ১২টায় সাংবাদিক সম্মেলন করার কথা রয়েছে তার।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল ২৪ ঘণ্টার প্রতীকি অনশনে বসেন পড়ুয়ারা। উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন অনশনকারীরা।