তবে কেন জনগণের গুচ্ছের টাকা দিয়ে পুলিশ পোষা?
ছাত্র ঠেঙানোর জন্যে নাকি শ্লীলতহানির জন্য?
বাংলায় এখন বউ পালালেও সিবিআই,আইতে যাইতে বারো আনা
কলা,কিচ্ছু উসুল হইব না
পলাশ বিশ্বাস
তবে কেন জনগণের গুচ্ছের টাকা দিয়ে পুলিশ পোষা?

ছাত্র ঠেঙানোর জন্যে নাকি শ্লীলতহানির জন্য?

খবরে প্রকাশ,পদত্যাগ করলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য সিদ্ধার্থ দত্ত। পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চেয়ে রাজ্যপালকে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। কিন্তু কী কারনে পদত্যাগ সেবিষয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি সহ উপাচার্য। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে আলোচনা না করেই একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সে কারণেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি ।

যে পুলিশি তান্ডবের প্রতিবাদে সহ উপাচার্যের এি পদত্যাগ মনে করা হছ্চে,সেই পুলিশের কাছে পরিচিতি যাচাই করিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে পারবেন ছাত্র ছাত্রীরা।

আবার পুলিশি তান্ডবের দায়িত্ব নিয়ে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিশ্বজোড়া যে ছাত্র আন্দোলন সে ই উপাচার্য নবান্নে বৈঠক করে পুলিশের প্রহরায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বহাল তবিয়তে বহাল।

ছাত্রেরা এবারও প্রতিবাদ করলে হত ডান্ডা মেরে করে দেবে ঠান্ডা।

এই হল পশ্চিমবঙ্গে আইনের রাজত্ব ও পুলিশের একমাত্র ভূমিকা।

উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল যাদবপুর। এরমধ্যেই বৃহস্পতিবার রাজ্যপালকে তাঁর পদত্যাগ পত্র পাঠালেন সহ উপাচার্য সিদ্ধার্থ দত্ত। জানা গেছে, সহ উপাচার্য চিঠিতে রাজ্যপালকে ষোল তারিখের রাতের ঘটনা বিস্তারিত জানিয়েছেন। চিঠিতে তিনি একথাও জানিয়েছেন, পরবর্তী সময়ে তাঁর সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই একতরফা সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেই কারণেই তিনি সহ উপাচার্যের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

সহ উপাচার্যের এই সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে চাপ বাড়াল উপাচার্যের ওপর। কারন সহ উপাচার্য রাজ্যপালকে যা জানিয়েছেন তাতে দায় এড়াতে পারেন না উপাচার্য। তাছাড়া, তাঁর এই সিদ্ধান্ত উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিকে আরও জোরালো করবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রশ্ন উঠছে, সহ উপাচার্য আগেই জানিয়েছিলেন গোটা ঘটনায় তিনি মর্মাহত। তবে তখনই তিনি কেন পদত্যাগ করলেন না? জানা গেছে, আন্দোলনের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন নি উপাচার্য । প্রশাসনিক কাজের দায়িত্বভার বহন করতে হচ্ছিলতাঁকেই। সেকারণেই পদত্যাগ করতে পারেননি। বৃহস্পতিবার উপাচার্য কাজে যোগ দেওয়ার পরেই তিনি রাজ্যপালের কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এলেন উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী। অন্যদিকে, উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার পর পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল। অরবিন্দ ভবনের সামনে বিক্ষোভ আন্দোলন শুরু করে দিয়েছেন পড়ুয়ারা। তাঁরা সাফ জানিয়েছেন উপাচার্যের পদত্যাগ না পর্যন্ত চলবে যাদবপুরের আন্দোলন। পড়ুয়াদের দাবি তাদের লুকিয়ে চুপি চুপি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন উপাচার্য।

উপাচার্য জানিয়েছেন আজ তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী, সংবাদমাধ্যম বা ছাত্র-ছাত্রী প্রতিনিধি, কারোর সঙ্গেই কোনও কথা বলবেন না।

অন্যদিকে, রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী জানিয়েছেন সার্চ কমিটির পক্ষ থেকে যাদবপুরের উপাচার্যকে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে কোনও চিঠি পাননি বলে জানিয়েছেন ।

কর্তৃপক্ষের আগাম অনুমতি নিয়ে তবেই বিক্ষোভ আন্দোলন করতে পারবেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। আন্দোলন কোথায় করা হবে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সেটাও আগে থেকে ঠিক করতে হবে। কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় আজ এই নির্দেশ দিলেন প্রধান বিচারপতি। হাইকোর্টের নির্দেশে স্বভাবতই অখুশি ছাত্রছাত্রীরা। নির্দেশ দুঃখজনক মত বিশিষ্টদের।

বাংলায় এখন বউ পালালেও সিবিআই,আইতে যাইতে বারো আনা

কলা,কিচ্ছু উসুল হইবনা।

সারদা কেলেঙ্কারি নিয়ে এমনিতেই অস্বস্তিতে রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের তৃণমূল সরকার। তার ওপর বুধবার আরেকটি মামলায় আদালত সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়ায় চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে রাজ্য সরকার।

তাপস পালের মস্তানি মামলায় এখনো সিবিআই হয় নি,বলা যায় না হবে না।পুলিশের কার্যকরি ভূমিকা প্রেক্ষিতে বলা অসম্ভব কোন মামলায় সিবিআই হবে,কোনটায় হবে না।

আগে জনতাম বাড়িতে দমবন্ধ পরিবেশ থেকে বেরিয়ে কেউ ট্রেনে কাটা পড়লে ট্রেন অবরোধ,এখন দেখচি,বউ পালালেও সিবিআই।

প্রত্যেকটি মামলায় আদালতের রায়ে সিবিআইকে ডাক,তার অর্থই হল বাংলার ডাকাবুকো পুলিশ,সেই লাল বাজার যার তুলনা কখনো স্কট ল্যান্ড ইয়ার্ডের সঙ্গে করা হত,কার্যতঃ এখন ঠুঠো জগন্নাথ।

সাতের দশকে টাটকা ছেলেমেয়েদের এনকাউন্টারে মারার জন্য বিশ্ববন্দিত কলকাতা পুলিশ এখন নবারুণদার কাঙাল মালসাট।

বাম শাসনে লোকাল কমিটির পারমিশান ছাড়া এফআইআর না হওয়ার গপ্পো ছাড়িয়ে বাংলা পুলিশের গপ্পো এখন শাসকের পায়ের চটিতে পরিণত, চটিচাটাই যোগ্যাতার মাপকাঠি।

ঔ মাপকাঠিতে ফেল মেরে গেলে মনমোতাবিক তদন্তের রেজাল্ট না পেলে শাসকের রোষাণলে সেই সত্তর দশখ থেকে জ্বলতে জ্বলতে বাংলার পুলিশ জমিদারের লেঠেল এখন।

কর্তা কর্তীর হুকুম তামিল করাই একমাত্র যোগ্যতা এবং অবশ্যই অবশ্য কর্তব্য তাই রোজই কাগজ খুলে পড়তে হয় একের পর এককান্ডে রাজ্য সরকারের স্বস্তি ও অস্বস্তি।

প্রতিটি ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে আদালতকে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে এবং ধামাধরাদের কর্তৃত্বের খেসারত দিতে হচ্ছে গোটা পুলিশ বাহিনীকে।

কষ্ট করে আইপিএস হয়ে চটির তলায় জীবনযাপনের জৌলুষ কতটা আকর্ষণীয় তাঁরাই বলতে পারেন,কিন্তু স্বাধীন নাগরিক হিসেবে লজ্জায় মুখ ঢাকতে হয় যে পুলিশকর্তারা এখন উপাচার্য হয়ে যাচ্ছেন।সুশীল সমাজ দশা সিট মারাত্মক।

স্বাধীন নাগরিক হিসেবে লজ্জায় মুখ ঢাকতে হয় যে এই বঙ্গে আইনের শাসণ বলতে কিছু রইল না, পুলিশ প্রশাসনও এখন বাকি জনগণের মতই ক্ষমতার রাজনীতির দখলে- হয়ত এই ভাবে সন্তানথাকবে দুধে ভাতে।

তবে স্বস্তি একটাই লাল বাজারে বা থানায় থানায় আন্দোলন করার জন্য বেয়াড়া ছাত্রেরা নেই।

শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে রং বেরং যত অভিযুক্ত তাঁরা সারি দিযে সারদা আশ্রম থেকে বেকসুর খালাশ হলেন,খিস্তি খেউড় সন্ত্রাস বিধবার থান ও রক্তগঙ্গার অভিযুক্তরাও বহাল তবিয়তে রইলেন।

ভারতবর্ষে প্রতিটি কলেন্কারিতে যাদের নাম,যাদেরজিজ্ঞাসাবাদ না করলে কিনারা হয় না কোনো মামলার,তাঁরা সবাই সংবৈধানিক রক্ষাকবচের আওতায় ছিঁচকে চোর ধরেই ধন্য ধন্য লালু যদব ছাড়া আজ অবধি কোনো শাসকের জেল হয়নি,তিনিও এখন দাপিয়ে রাজনীতি করছেন।

এই ত কয়লা কেলেন্কারিতে কি ঘোড়া ডিমই না হল,স্পেক্ট্রামের মত সব কযলাব্লক আবন্টন বাতিল,প্রশ্ন হল তাহলে কি গ্যাস তেল ক্ষেত্রের আবন্টনও বাতিল প্রতিরক্ষা কেলেন্কারির আওতায় যাবতীয় ডিল বাতিল?

জবাব নেই।

অথচ কয়লা আমদানির মাশুল সাধারণ মানুষকে দিতে হবে।

প্রাইভেট কম্পানী এখন বিদ্যুত সংযোগের মালিক যাবতীয় গ্রিড তাঁদের দখলে,ইলেক্টিক শক ত খেতেই হচ্ছে।

তাছাড়া সরকারী ব্যান্ক থেকে কয়লা আবন্টনের এগনেস্ট যে লক্ষ লক্ষ কোটি ঋণ দেওয়া হয়েছে,বাতিল বাহানায় সেটাও ডুবল।

শুধু স্টেট ব্যান্কের লোকসান সত্তর হাজার কোটি।

বুঝুন ঠ্যালা।

সিবিআই সিবিআই করে যারা বিশ হাত লাফাচ্চেন,পুরোনো মামলার হিসেব মিলিয়ে দেখুন কোন ঈলিশে কতটা কচুর মিশেল।

সিবিআই আটকাতে জনগণের খরচ।

সিবিআই হলে জনগণের খরচ।

প্রাপ্তি ঔ ঘোড়ার ডিম।

গত নির্বাচনে কমিশনের রোষের মুখে পড়লেন জেলার সাত পুলিশ সুপার। জেলাশাসক এবং মহকুমাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ভি এস সম্পত। বৈঠকে কমিশনের রোষের মুখে পড়ে সাত-জেলার পুলিশ সুপাররা। জেলাগুলির মধ্যে সাতটি জেলা হল, পশ্চিম মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বীরভূম, বাঁকুড়া, বর্ধমান এবং উত্তর ২৪ পরগণা। এই সাত-জেলার পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে একাধিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ জমা পড়েছিল কমিশনে। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখার পরেই কমিশনের নজরে পরে এই সাত জেলার আধিকারিকরা।

অন্যদিকে, হাবড়া থেকে হাওড়া-কাণ্ডে কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছে জেলার পুলিশ সুপার এবং জেলা শাসক। এই প্রসঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কড়া মন্তব্য, হাবড়া-কাণ্ডে আক্রান্ত বিডিও যখন অপরাধীদের চিহ্নিত করতে ভয় পান। তাহলেই বোঝা যাচ্ছে রাজ্যের গণতন্ত্রের কি অবস্থা। এমনকি, ঘটনায় হাওড়া জেলার পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসককে ভর্ৎসনাও করে কমিশন।

বাংলা পুলিশের এই হাল।

যাদবপুর কলরব থামাতে সেই পুলিশকেই আবার লগ্নি করছে শাসক,ভেবে দেখুন ইহা দনগণের বিপর্যয় না তাং চেয়ে রাজ্য পুলিশের বিপদ অতিঘন।

নিঃশ্বাস ফেলতে পারছি না৷‌ শিক্ষা থেকে প্রশাসন– রাজ্যের সর্বত্র নৈরাজ্য৷‌ এই পরিস্হিতি থেকে সমাজকে বাঁচাতে সংগঠিত বামপম্হী আন্দোলন ছাড়া মুক্তি নেই৷‌ বুধবার কলকাতায় এক আলোচনাসভায় এই মত প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক মিত্র৷‌

আজকালের প্রতিবেদন: নিঃশ্বাস ফেলতে পারছি না৷‌ শিক্ষা থেকে প্রশাসন– রাজ্যের সর্বত্র নৈরাজ্য৷‌ এই পরিস্হিতি থেকে সমাজকে বাঁচাতে সংগঠিত বামপম্হী আন্দোলন ছাড়া মুক্তি নেই৷‌ বুধবার কলকাতায় এক আলোচনাসভায় এই মত প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক মিত্র৷‌ তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের মানুষ বুঝতে পারছেন কিছু দুষ্কৃতী সম্প্রদায়কে রাজ্যের প্রশাসনে বসিয়েছি৷‌ বিভিন্ন ধরনের দুষ্কৃতী৷‌ পয়সাকড়ি নিয়ে প্রতারণা করছে৷‌ যারা খুন, ডাকাতি করে৷‌ যারা পকেট কাটে৷‌ স্বভাব উদ্ধত৷‌ সকলের সুমিশ্রণে একটা দল প্রশাসন চালাচ্ছে৷‌ তার ভয়াবহ পরিণাম আমরা দেখতে পাচ্ছি৷‌ এদিন কলকাতার রোটারি সদনে এক আলোচনাসভার আয়োজন করে সমাজ চর্চা ট্রাস্ট৷‌ আলোচনার বিষয়বস্তু 'সমাজ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি'৷‌ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট কবি শঙ্খ ঘোষ৷‌ তিনি বলেন, এখন উদ্বেগের সময়৷‌ উপস্হিত ছিলেন অমিয় বাগচী, যশোধরা বাগচী, অমিয় দেব, রাজা মিত্র, 'আরেক রকম' পত্রিকার সম্পাদক কালীকৃষ্ণ গুহ, ইমানুল হক প্রমুখ৷‌ অশোক মিত্র বলেন, 'শিবে গুন্ডা' যতই 'শিবপ্রসাদ' হোক সে শিবে গুন্ডাই থাকে৷‌ তিনি কেষ্ট হয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন, আমরা ভুক্তভোগী৷‌ বামেদের আরও নম্র হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি৷‌ তাঁর মতে, বামপম্হীরা বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছেন৷‌ সেটা ফিরে পেতে বিশেষ কিছু করেননি৷‌ মানুষ ভালবেসে তাঁদের ভোট দিয়েছিলেন৷‌ কিন্তু ভালবাসা ফিরিয়ে নিয়েছেন৷‌ দেশ, সমাজ বাঁচাতে পারে বামপম্হীরাই৷‌ সমাজে আলোড়ন হতে থাকবে অথচ বামপম্হীরা বসে থাকবেন, এমন হলে বামপম্হীরা অপাঙ‍্ক্তেয় হয়ে যাবে৷‌ বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির উত্থান হবে৷‌ ছুটকো-ছাটকা আন্দোলন দিয়ে কিছু হবে না৷‌ সংগঠিত বামপম্হী আন্দোলন ছাড়া দেশের মুক্তি নেই৷‌ আমাদের বহু বিভক্ত সমাজ৷‌ বর্ণ, শ্রেণী, বর্গ, বিভাগ আছে৷‌ এই সমাজে মুক্তি, প্রগতি আনতে সংগঠিত বামশক্তি প্রয়োজন৷‌ মাথা উঁচু করে সংগঠন তৈরি করতে হবে৷‌ মানুষদের বোঝাতে হবে৷‌ সবাইকে নিয়ে চলতে হবে৷‌ সাম্প্রদায়িক শক্তির বিপদ নিয়ে সতর্ক করেন তিনি৷‌ তাঁরা কথায়, অনেকে সাম্প্রদায়িক শক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ছে৷‌ সাম্প্রদায়িক শক্তি রাজ্যে ঠাঁই পেলে আমাদের রক্ষে নেই৷‌ সাম্প্রদায়িক প্রতিশক্তির জন্ম দেবে৷‌ তৈরি হবে অস্হিরতা নৈরাজ্য৷‌ তিনি বলেন, ২০ বছরে সংগঠিত শিল্পে কর্মসংস্হান বাড়েনি বরং কমেছে৷‌ গুণী মানুষকে সব জায়গায় বসাতে পারছি কি না, তাঁদের কাছ থেকে পাঠ নিতে পারছি কি না, এটাই শিক্ষা৷‌

-0-0-0-0-0-0-0-0-0-0-

Jadavpur stop clamor,যাদবপুর কলরব থামাতে,আজকালের প্রতিবেদন:,পুলিশ পোষা? ,Police pet?Police pet?, বাংলা পুলিশের এই হাল,Bengali police spying,অন্যদিকে, হাবড়া থেকে হাওড়া,On the other hand, from Howrah Howrah,স্বাধীন নাগরিক হিসেবে লজ্জায় মুখ ঢাকতে ,Hide face in shame as independent citizens